

Buy প্রথম প্রতিশ্রুতি Online in Bangladesh
লেখক: আশাপূর্ণা দেবী
- Author: আশাপূর্ণা দেবী
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 8172932065
- Number Of Pages: 511
- Language: বাংলা
- Edition: 79th Print, 1430 B
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
'প্রথম প্রতিশ্রুতি’র' বইয়ের ফ্লাপের লেখা বাংলাসাহিত্যে আশাপূর্ণা দেবীর অভ্যুদয় একটি বিশিষ্ট ঘটনা। তার তীক্ষ দৃষ্টি ও ক্ষুরধার লেখনী বাঙ্গালীর সংসারজীবনের উপরকার বর্ণাঢ্য মােহজাল ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে তার যে সত্যকার রূপ দেখিয়েছেন, তা ইতিপূর্বে কোন লেখক বা লেখিকা দেখতে কি দেখাতে সাহস করেন নি। কোনাে প্রচলিত ধারণা ও বিশ্বাসকেই লেখিকা যাচাই না করে গ্রহণ করতে রাজী হন নি, আর তার ফলে বিশ্বাসমুগ্ধ বহু পাঠককেই সুকঠিন আঘাত পেতে হয়েছে তাঁর লেখা পড়ে। তার সত্যদৃষ্টির নিকষে টেকে নি প্রায়। কোনটাই—অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপাত-মূল্যবান। অলঙ্কারের ভিতরকার কেমিক্যাল সােনা ও ঝুটো পাথরের যথার্থ চেহারাটা বেরিয়ে পড়েছে। ....কিন্তু শুধুই কি জীবনের অসত্য ও অমলিন। দিকটাই দেখেছেন লেখিকা ? না, তা দেখেন নি। তাহলে আজ এই গ্রন্থের নায়িকা সত্যবতীর সৃষ্টি বা কল্পনা সম্ভব হত না। বাংলার সমাজ ও সংসারের অন্তঃপুরে গত শতবর্ষে যে অভাবনীয় ও অকল্পনীয় পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে বহু অসমসাহসিক বীরাঙ্গনার বুকের রক্তেই তা ঘটতে পেরেছে; তারা নিজেরা জ্বলে আলােকিত করে। দিয়ে গেছে জীবনের প্রশস্ত রাজপথ, আত্মবলির মূল্যে খুলে দিয়ে গেছে মহৎ সম্ভাবনার সিংহদ্বার। লেখিকার আর্বিভাব যেমন বিস্ময়কর তেমনি বাংলা কথাসাহিত্য ক্ষেত্রে প্রথম প্রতিশ্রুতি’র। আবির্ভাবও একটি স্মরণীয় ঘটনা। বাঙ্গালী পাঠকপাঠিকা তথা সমগ্র বাংলাভাষাভাষী জনতা চিরদিন এই উপন্যাসখানির জন্য লেখিকার কাছে কৃতজ্ঞ ও ঋণী বােধ করবেন সন্দেহ নেই। বহু গুণী ও জ্ঞানী পাঠকের মতে— তিনি যদি মাত্র এই একটি গ্রন্থই রচনা করতেন, তাহলেও বঙ্গবাণীর সভায় তার আসন স্থায়ী ও বরণীয় হয়ে থাকত।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Must read for every Bengali woman
বইটি খুবই ভালো ও দ্রুত ডেলিভারী হয়েছে।

ছোট্টবেলার সত্যবতী থেকে তার শ্বাশুড়ী হওয়া পর্যন্ত বেশ লম্বা চওড়া একটি গল্প কিন্ত বেশ মনোরোম। সত্যবতীর গল্পটি পড়ে মনে হল সে হয়ত ভুল শতাব্দীতে জন্মেছে এই শতাব্দীতে জন্মালে হয়ত তাকে এত কষ্ট করতে হত না। আবার মনে হয় সত্যবতীর মত কিছু মেয়েদের এত ত্যাগের স্বীকার অথবা তাদের ইচ্ছা পূরনের যে সংকল্প, সেই সংকল্প বাস্তবে রুপ দেয়ার যে চেষ্টা তা না থাকলে হয়ত আজকের জেনারশনে মেয়েদের পড়াশুনা বা তাদের স্বাধীনতাগুলোকে প্রাধান্য দেয়া হত না। নিজের চিন্তা ভাবনায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সত্যবাদীকে বেশীরভাগ মানুষ পাগল বলেই আখ্যায়িত করেছেন বেশী। গল্পটি ১৯০০ সালের দিকে লিখা হলেও এর চিত্রগুলো এখনো আমাদের উন্নত সমাজে বিদ্যমান। সেইদিক থেকে তুলনা করলে স্বামী সংসার শ্বশুড়বাড়ীর অত্যাচারের উপর দিয়েও সত্যবতীর কলকাতায় যেয়ে নিজে শিক্ষিত হওয়া এবং সন্তানদের সুশিক্ষা দেয়ার যে ঘটনাটি এই গল্পে বিদ্যমান তা আসলেই অনেক মনোরোম। নিজের পুত্রবধু আনার ক্ষেত্রেও কোন তারতম্য করেননি সত্যবতী। শেষের দিকে সুবর্নলতার বিয়ে নিয়ে যা ঘটলো এ নিয়েও অনেকে অনেক মতবাদ পোষন করতে পারে তবে আমি মনে করি সত্যবতী যা করেছেন যথার্থই করেছেন। সব মেয়েদেরই বইটি পড়া উচিত কারন মেয়েদের জন্য এই বইটি একটি ইন্সপিরেশন হিসেবে কাজ করবে।
Osadharon!
বাংলাসাহিত্যে আশাপূর্ণা দেবীর অভ্যুদয় একটি বিশিষ্ট ঘটনা। তার তীক্ষ দৃষ্টি ও ক্ষুরধার লেখনী বাঙ্গালীর সংসারজীবনের উপরকার বর্ণাঢ্য মােহজাল ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে তার যে সত্যকার রূপ দেখিয়েছেন, তা ইতিপূর্বে কোন লেখক বা লেখিকা দেখতে কি দেখাতে সাহস করেন নি। কোনাে প্রচলিত ধারণা ও বিশ্বাসকেই লেখিকা যাচাই না করে গ্রহণ করতে রাজী হন নি, আর তার ফলে বিশ্বাসমুগ্ধ বহু পাঠককেই সুকঠিন আঘাত পেতে হয়েছে তাঁর লেখা পড়ে। তার সত্যদৃষ্টির নিকষে টেকে নি প্রায়। কোনটাই—অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপাত-মূল্যবান। অলঙ্কারের ভিতরকার কেমিক্যাল সােনা ও ঝুটো পাথরের যথার্থ চেহারাটা বেরিয়ে পড়েছে। ....কিন্তু শুধুই কি জীবনের অসত্য ও অমলিন। দিকটাই দেখেছেন লেখিকা ? না, তা দেখেন নি। তাহলে আজ এই গ্রন্থের নায়িকা সত্যবতীর সৃষ্টি বা কল্পনা সম্ভব হত না। বাংলার সমাজ ও সংসারের অন্তঃপুরে গত শতবর্ষে যে অভাবনীয় ও অকল্পনীয় পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে বহু অসমসাহসিক বীরাঙ্গনার বুকের রক্তেই তা ঘটতে পেরেছে; তারা নিজেরা জ্বলে আলােকিত করে। দিয়ে গেছে জীবনের প্রশস্ত রাজপথ, আত্মবলির মূল্যে খুলে দিয়ে গেছে মহৎ সম্ভাবনার সিংহদ্বার। লেখিকার আর্বিভাব যেমন বিস্ময়কর তেমনি বাংলা কথাসাহিত্য ক্ষেত্রে প্রথম প্রতিশ্রুতি’র। আবির্ভাবও একটি স্মরণীয় ঘটনা। বাঙ্গালী পাঠকপাঠিকা তথা সমগ্র বাংলাভাষাভাষী জনতা চিরদিন এই উপন্যাসখানির জন্য লেখিকার কাছে কৃতজ্ঞ ও ঋণী বােধ করবেন সন্দেহ নেই। বহু গুণী ও জ্ঞানী পাঠকের মতে— তিনি যদি মাত্র এই একটি গ্রন্থই রচনা করতেন, তাহলেও বঙ্গবাণীর সভায় তার আসন স্থায়ী ও বরণীয় হয়ে থাকত।























